রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০ শ্রাবণ ১৪২৮

শমী কায়সারের মামলা তদন্ত করবে পিবিআই



অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান বাদী মিঞা মো. নুজহাতুল হাসানের নারাজির আবেদনের গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান।

গত ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ওই দিন মামলার বাদী অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টুডেন্ট জার্নালবিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিবেন বলে আদালতকে জানান।

সোমবার নারাজির বিষয়ে শুনানির তারিখ ধার্য করেন। এদিন বাদী নারাজি দাখিল করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দেন।

মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান এতথ্য জানান।

এর আগে প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, গত ২৪ এপ্রিল প্রেসক্লাবে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ এর উদ্বোধনকালে মিডিয়া কর্মীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সাসের দুটি ফোন খোয়া যায়। ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। খোয়া যাওয়া স্মার্ট ফোন দুটি উদ্ধারের লক্ষ্যে ওই স্থানে আগত কিছু সংখ্যক লোককে চেক করার জন্য তার সহকর্মীদের বললেও তারা কাউকে চেক করেননি। কিন্তু শমী কায়সারের কথায় ওই স্থানে উপস্থিত কতিপয় সংবাদকর্মী চোর সম্বোধন করেছে মর্মে ভুল বুঝেছেন। পরবর্তীতে শমী কায়সার ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।  কিন্তু সেখানে শমী কায়সার সাংবাদিকদের চোর বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, বা উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন বা তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন প্রাথমিক তদন্তে এর কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই।

মামলায় বাদীর অভিযোগ, গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ উদ্বোধনকালে সংবাদকর্মীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সার তার দুটি স্মার্টফোন খোয়া গেছে মর্মে অভিযোগ করেন।

সেখানে শমী কায়সার সাংবাদিকদের চোর বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন এবং তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে শমী কায়সার আধা ঘণ্টা গেটে দাঁড়িয়ে থেকে সাংবাদিকদের দেহ তল্লাশি করান। এতে সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি হওয়ার অভিযোগে মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান ৩০ এপ্রিল মামলাটি দায়ের করেন।